Friday, November 10, 2023

Class-70 (Facebook Notes)

 https://www.facebook.com/Engrsahabuddin 

অটোক্যাড কি?

অটো ক্যাড (Auto CAD) হলো বিশ্বসমাদৃত একটি পাওয়ারফুল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন সফটওয়্যার। ১৯৮০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Autodesk Inc. Auto CAD তৈরি করেন। যেকোন স্কেলিং ড্রইং এর ক্ষেত্রে অটো ক্যাড এর কোন বিকল্প নেই। অটো ক্যাড এর নতুন নতুন কমান্ড ও টুলস্ সম্পূর্ণরূপে ইউজার ফ্রেন্ডলি। অটো ক্যাড এর সাহায্যে সাধারণ ড্রইং ছাড়াও ডিজাইন, ব্লক, সিম্বল, লোগো ডিজাইন, গ্রিল ডিজাইন, এমব্রডারী ডিজাইন করা যায়। অটো ক্যাড সফটওয়্যার এর মাধ্যমে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট প্লানার, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, গ্রাফিক্স ইঞ্জিনিয়ার, এমব্রডায়রি ডিজাইনার সহজেই তাদের সুবিধামত ড্রইং করতে পারেন।
অটো ক্যাড মূলতঃ বিভিন্ন জ্যামিতিক বা গ্রাফিক্যাল অবজেক্ট এর সমন্বয়। যেমনঃ রেখা, বৃত্তচাপ, বৃত্ত, টেক্সট বা লেখা। এছাড়াও ব্লক বা গ্রুপ অবজেক্ট আনুষঙ্গিক অবজেক্ট প্রপার্টিজ যেমনঃ কালার, লেয়ার, লাইন টাইপ আ্যাট্রিবিউট ইত্যাদি ব্যবহার করে সাচ্ছন্দে ড্রইং করা যায়। সাধারণ ড্রইং সীটে যে ড্রইং করা হয় এবং অটো ক্যাড এডিটরে যে ড্রইং করা তার কার্যপ্রনালী কিছুটা ভিন্ন তবে সুবিধা অনেক বেশি।

অটো ক্যাড এর কাজ হলো দ্বিমাত্রিক অবজেক্ট নিয়ে। এখানে টু-ডি ও থ্রি-ডি উভয় ধরনের অবজেক্ট তৈরি করা যায়। তবে টু-ডি অবজেক্ট তৈরি করে পরবর্তীতে একে থ্রিডি তে রূপান্তরিত করা যায়। অটো ক্যাড এ তৈরিকৃত ডিজাইনকে থ্রিডিতে রূপান্তর করার 3D Studio Max , Maya ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের থ্রিডি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়। আবার অটো ক্যাড এ সরাসরি থ্রিডি ডিজাইন তৈরি করা যায়। Auto CAD এ থ্রিডি অপেক্ষা টু-ডিতে কাজ করা সহজ। অটো ক্যাড এ আমরা যা কিছুই ড্রইং বা ডিজাইন করি না কেন এর ইন্টারফেস সর্ম্পকে ধারণা অর্জন করা প্রয়োজন। অটো ক্যাড এর বিভিন্ন প্যাকেজ বর্তমানে বাজারে আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে সহজ ও সুবিধাজনক প্যাকেজ হলো Auto CAD 2010 to, Auto CAD 2017 ।

ডিজাইনিং:

যে কোনো প্রকার ইন্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে ডিজাইনিং বা প্রটোটাইপিং একটি সময়সাপেক্ষ ও জটিল বিষয়। আবার ম্যাকানিকাল ইন্জিনিয়ারিং এর মতো ক্ষেত্রে যেখানে বিভিন্ন পর্টসের সমন্ময়ে একটি যন্ত্র তৈরি করা হয় সেক্ষেত্রে কাগজে ডিজাইন অনেক কঠিন। অটোক্যাডের সাহায্যে সহজেই সেই বিষয়গুলো পরীক্ষা করে দেখা যায় তাও আবার বিভিন্ন অবস্থা সাপেক্ষে। এর মাধ্যমে মুহুর্তেই একটি ডিজাইনে নতুন ইপাদান যুক্ত করে দেখা যায় আর ডিজাইনগুলো হয় ৩ডি অর্থাৎ বাস্তবভিত্তিক। এর মাধ্যমে একটি ডিজাইনের বিভিন্ন খুটিনাটি বিষয় পরিবর্তন করে দেখা যায় যা বাস্তবে করা অনেক কঠিন। তাই সত্যিকারের স্থাপনা তৈরির আগেই এর পরিপূর্ন ডিজাইন তৈরি করে নেওয়া যায়।

খরচ বাঁচায়:

ইন্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষনা অনেক গুরুস্বপূর্ন বিষয়। কিন্তু সত্যিকারের স্থাপনা বা যন্ত্রপাতির ওপর পরীক্ষা নিরীক্ষা অনেক ব্যায়বহুল বিষয়। অটোক্যাডের মাধ্যমে সহজেই একজন আর্কিটেকচার তার মডেলের বিভিন্ন অংশ পরিবর্তন করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পরেন। এতে নতুন নতুন আইডিয়া প্রতিফলন ঘটবে। যে কোনো কাজের পূর্বে এর নমুনা তৈরি করে সেই অনুযায়ী কাজ শুরু করা যায়। এতে খরচ অনেক কমে যায়।

সময় বাঁচায়:

অটোক্যাড কাজের ক্ষেত্রে অর্থের পাশাপাশি অনেক সময়ও বাঁচায়। সত্যিকার নমুনা বা প্রটোটাইপ তৈরি করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন কিন্তু অটোক্যাড এর কল্যানে অনেক দ্রত যে কোনো কিছুরই নমুনা ডিজাইন তৈরি করে ফেলা যায় যা ইন্জিনিয়ারদের অনেক মূল্যবান সময় বাঁচাতে সাহায্য করে। নমুনা ডিজাইনটির বিভিন্ন পরিবর্তনও খুব সহজেই ও দ্রুততার সাথে করে ফেলা যায়। যেখানে একটি প্রটোটাইপ তৈরি করতে অনেক সময় ব্যায় করতে হতো সেখানে অটোক্যাডের মাধ্যমে দ্রুততার সাথে নিখুত প্রটোটাইপ তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।

যোগাযোগ ও একীভুতকরন:

ডিজাইনকৃত মডেল ডিজিটাল ফরম্যাট এ সংরক্ষন করার ফলে ইন্জিনিয়ারদের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতার পথ আরও সুগম হয়েছে। একাধিক ইন্জিনিয়ার একটি ডিজাইন এর ওপর কাজ করে ডিজাইনটিকে পরিপূর্ন করতে পারে এবং টিমের অন্য যে কোনো ডিজাইনারের কাছেও সহজেই তা সেন্ড করতে পারে। বিশ্বায়নের এই যুগে পরষ্পরের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করা অনেক গুরুত্বপূর্ন। অটোক্যাড এর মাধ্যমে একজন ইন্জিনিয়ার সহজেই অন্য ইন্জিনিয়ারের সাথে তার ডিজাইনটির বিভিন্ন অংশ নিয়ে আলোচনা করতে পারে। অসংক্ষ্য আইডিয়ার সমন্ময়ে একটি পরিপূর্ন ডিজাইন তৈরি করা এখন অনেক সহজ।

ইন্জিনিয়ারদের নিজেদের সুবিধার জন্যই অটোক্যাড শেখা উচিৎ। অটোক্যাডের মাধ্যমে আমাদের দেশে কাজের পাশাপাশি বহির্বিশ্বেও রয়েছে কাজের সুযোগ।

কেন অটোক্যাড শিখবেন?

অটোক্যাড হচ্ছে কম্পিউটারের মাধ্যমে ডিজাইনিং ও ড্রাফটিং করার সবচেয়ে জনপ্রিয় গ্রাফিক্স প্রোগ্রাম। ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং ও ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে এর ব্যাবহার সবচেয়ে বেশি। প্রায় ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশে-বিদেশে ২ডি অথবা ৩ডি ডিজাইনিং এর জন্য অটোক্যাড ব্যাবহৃত হয়ে আসছে এবং বর্তমানেও ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং বা ইঞ্জিনিয়ারিং এর চাকরি পেতে হলে অটোক্যাড এর কাজ জানা থাকা আবশ্যক হয়ে দাড়িয়েছে। মনের মতো করে বাড়িঘর ডিজাইন করতে বা ইঞ্জিনিয়ারিং এর সিভিল ড্রয়িং, ম্যাকানিকাল ড্রয়িং, আর্কিটেকচারাল, ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স ড্রয়িং এর জন্য এমন কার্যকর সফটওয়্যার খুব কমই আছে। খুব সহজে ও নিখুঁতভাবে ডিজাইন করার জন্য সব নামকরা ইন্টেরিয়র ডিজাইনার ও ইন্জিনিয়ারই অটোক্যাড এর ওপর নির্ভর করে। অটোক্যাডে দক্ষ হতে পারলে দেশে-বিদেশে সর্বত্রই কদর পাওয়া যায়।

প্রধান ৪ টি গুরুত্বপূর্ন কারন:

একটি সুন্দর ও নিখুত নকশা তৈরীর জন্য অটোক্যাড জানা অত্যান্ত প্রয়োজন।
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, আরকিটেক্ট ডিজা্ন, ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, ফার্ণিচার, ডিজাইনের ক্ষেত্রে অটোক্যাডের কোন বিকল্প নেই।
চাকুরীর ক্ষেত্রে অটোক্যাড না যানা থাকলে চাকুরী পাওয়ার বিষয়টি কঠিন হবে।
অন্য যে কোন ডিজাইন সফটওয়্যার এর চেয়ে দূত ও নিখুত ডিজাইন করা যায় অটোক্যাডের মাধ্যমে।

কোথায় আছে অটোক্যাডের কর্মসংস্থান?
অটোক্যাড শিখে কে কেমন কাজ পাবো?
সধারণত বাংলাদেশের বিল্ডং ডেভেলপমেন্ট থেকে শুরু করে ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরের প্রতিটি ক্ষেত্রেই অটোক্যাড এর কর্মসংস্থান রয়েছে।ফর্নিচার ডিজাইন,পাইপ ফ্যাক্টরী, ষ্টীল ফ্যাক্টরীতে ও একজন দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার এবং ড্রাফ্টম্যান কোথায় না প্রয়োজন, শুধুমাত্র প্রয়োজন একজন দক্ষ কর্মীর। এখন আসি, আরও একটি স্থান যেটি সম্পর্কে অনেকের ধারণা নেই আর তা হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজাইনে কাজ করে নিজের কর্মসংস্থান তৈরী করা। পৃথিবীর বিভিন্ন মার্কেট প্লেসের মাধ্যমে ডিজাইনের কাজ করে ঘরে বসে প্রতি মাসে অনেক অর্থ উপাজন করা সম্ভব।
অটোক্যাড এর কাজ শেখার পর ব্যাপক পরিসর থেকে কাজ বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। দেশ বিদেশের বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি যেমন: ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং ফার্ম, রিয়েল এস্টেড, এড ফার্ম ইত্যাদি সেক্টরে কাজ করা ছাড়াও ইন্ডিপেন্ডেন্ট কনট্রাক্টর হিসেবেও কাজ করতে পারেন। অটোক্যাডে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডিজাইনার বা ইঞ্জিনিয়ারের চাকুরির শুরুতেই ভালো সেলারি পাওয়ার সুযোগ থাকে আর ইন্টারভিউতেও অগ্রাধিকার পাওয়া যায়।
লোকাল ইন্ড্রাস্ট্রিতে প্রচুর কাজের সুযোগ থাকার পরও আপনি যদি মুক্তভাবে কাজ করতে চান তাহলে অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতেও ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতে পারেন। প্রতিদিন এসব মার্কেটপ্লেসে প্রচুর পরিমানে কাজ পোস্ট করা হয়, তাই অটোক্যাডে আপনি যদি দক্ষ হতে পারেন তাহলে আপনি যে সেক্টরেই কাজ করতে চান না কেন কাজের কোনো অভাব নেই।

সিভিল

যারা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যারিয়ার শুরু করছেন বা করবেন অথবা আগে থেকেই এই ক্ষেত্রে আছেন তাদের ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিজস্ব কাজের ক্ষেএে অবস্থান দৃড় করার জন্য ... শুধুমাত্র কাঠামো ডিজাইন/ফিল্ডেকাজ জানা থাকলেই চলবে না এই টেকনোলজির যুগে প্রয়োজন অটোক্যাড এর ওপর পরিপূর্ন দখল নয়তো প্রতিযোগীতার বাজারে সিভিল

মেকানিক্যাল

মেকানিক্যাল হলে—ম্যাকানিকাল শপে, কম্পিউটার হলে কোন কম্পিউটার ফার্মে, ইলেক্ট্রিক্যাল হলে ইলেক্ট্রিক শপে, ইলেক্ট্রনিক্স হলে ইলেক্ট্রনিক্স সার্ভিস সেন্টারে, ফুড ও ক্যামিক্যাল হলে আপনি বিভিন্ন কনজ্যুমার বা ক্যামিক্যাল কম্পানিতে, সিভিল হলে বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টারে গিয়ে অটোক্যাড বা ৩ডি স্টুডিও এর কাজ শিখুন, এভাবে নিজের কাজের স্থল নির্বাচন করে শিখতে থাকুন। তাহলে আপনার ভবিষ্যত হবে উজ্জল।

ইলেকট্রিক্যাল
শুধুমাত্র ইন্জিনিয়ারিং জানা থাকলেই চলবে না এই টেকনোলজির যুগে প্রয়োজন অটোক্যাড এর ওপর পরিপূর্ন দখল নয়তো প্রতিযোগীতার বাজারে ইন্জিনিয়ার হিসেবে আপনি পিছিয়ে পড়বেন। অধিকাংশ বাংলাদেশী ইন্জিনিয়ার তাদের কাজের জন্য অটোক্যাড ব্যবহার করে।

অটোক্যাড শিখে কেমন আয় হবে?
..................................................................................................................
আগেই বলেছি যে অটোক্যাডের কাজ জানা থাকলে আপনি যে সেক্টরেই কাজ করতে চান না কেন সেই সেক্টরের অটোক্যাড না জানা লোকদের চেয়ে অবশ্যই ভালো অবস্থানে কাজ শুরু করতে পারবেন। আর্কিটেক্ট ডিজাইনার বা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজের ক্ষেত্রে শুরুতেই ১৫,০০০-২০,০০০ টাকা বেতন এবং অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বেতনের পরিমান বাড়তেই থাকে। অভিজ্ঞ আর্কিটেক্ট ডিজাইনাররা মাসে গড়ে ৩৮,০০০-৫০,০০০ টাকা বেতন পেয়ে থাকে।
...................................................................................................................
চাকরির বাইরে কাজ করতে চাইলে বা ফ্রিল্যান্সিং করতে চাইলে সে ক্ষেত্রে আয়ের পরিমান আরও বেশি দেখা যায়। বিদেশি কোম্পানিদের সাথে কাজ করলে আয়ের সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে অটোক্যাড সম্পর্কিত প্রতিটি কাজের জন্য ফিক্সট রেটের ক্ষেত্রে গড়ে ২০০-১০০০ ডলার পেমেন্ট করা হয়ে থাকে। এছাড়া আওয়ারলি কাজের ক্ষেত্রে গড়ে ১৫ ডলার থেকে ৩০ ডলার পর্যন্ত পেমেন্ট করা হয়ে থাকে।
অটোক্যাড শেখার পরে কাজের এই বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করা বোকামি ছাড়া আর কিছুই না। তাই যারা এ জাতীয় কাজে ক্যারিয়ার গড়তে চান কিন্তু অটোক্যাড শিখবেন কি-না বুঝতে পারছেন না তারা আর সময় নষ্ট না করে দ্রুত প্রফেশনাল কাজের জন্য অটোক্যাড শেখা শুরু করে দিন।
অটোক্যাড (AutoCAD)

কিভাবে কোর্সটি শুরু করবেন এবং শেষ করবেন?

প্রথমে আপনাকে কোর্সটি করার জন্য বিশেষভাবে তৈরী হতে হবে। হালকা ভাবে নিলে সময় নষ্ট হবে ফলে কোর্স করা হবে না।

ক্যারিয়ার গড়ুন অটোক্যাড ডিজাইনার হিসেবে।

যারা অটোক্যাড শেখার জন্য ভাল কোন ট্রেইনিং সেন্টার পাচ্ছেন না তাদের জন্য CADD Bangladesh নিয়ে এলো অটোক্যাড শেখার দারুন একটি কোর্স “Master of AutoCAD 2D & 3D”।
কোর্সটি আমি কিভাবে করতে পারব?
অটো ক্যাড এর মাধ্যমে
আপনাকে দক্ষ ও ডিজাইন, ড্রয়িং এ পারদর্শী প্রকৌশলী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে, আমরা আমাদের সুদক্ষ ট্রেনিং প্রাপ্ত প্রকৌশলী এবং প্রফেশনালস দ্বারা আপনার জন্য সম্পূর্ন বাস্তবমুখি প্রশিক্ষন প্রদান করছি এবং প্রশিক্ষনের সাথে শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রে সফলতার জন্য সহযোগীতা করে থাকি। যা অবশ্যই আপনাকে দক্ষ ডিজাইন, ড্রয়িং প্রফেশনাল হিসেবে গড়ে তুলতে আসাধারণ ভূমিকা রাখবে।
নতুন ব্যচ:--ঃ--
রেগুলার ব্যাচের ক্লাশ সপ্তাহে ৩ দিন সন্ধা
শুক্রবার ব্যাচ: জব হোল্ডার দের জন্য ক্লাশ সপ্তাহে একদিন শুধুমাত্র শুক্রবারে, সকাল ৯টা থেকে রাত ৯ টা।
শেয়ার করে আপনার পরিচিত কাছের মানুষ কে শেখার সুযোগ করে দিন
আর সময় নষ্ট না করে সফটওয়্যার টি শিখে নিন আমাদের ক্যাড এক্সপার্ট দের কাছথেকে
অটোক্যাডের যেকোন কোর্সে ভালো করতে হলে আপনাকে অবশ্যই ক্লাসে নিয়মিত থাকতে হবে। ক্লাসের বিষয়গুলো প্রতিদিন অনুশিলন করতে হবে।
যদি কঠিন মনে হয় তারপর ও শুরু থেকে শেষ পযন্ত ক্লাস চালিয়ে যেতে হবে।
এ সম্পর্কে আর ও বিস্তারিত যানতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে

No comments:

Post a Comment

Class-24 (Land Map)

  মডিফাই টুলবারের ব্যবহার_অটোক্যাড বাংলা টিউটরিয়াল |AutoCAD Bangla Tutorial :Use of Modify Toolbar) https://www.youtube.com/watch?app=deskto...